বায়ুকল
বায়ুকল যার শব্দের মাধ্যমেই বোঝা যাচ্ছে এর পরিচয়, এটি মূলত বাতাস চালিত কল যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তরিত করা হয়। বায়ুকলকে কাজে লাগিয়ে প্রথম দিকে খাদ্য সস্য গুড়ো করার কাজে ব্যবহৃত হত। কালের বিবর্তনে বৃদ্ধি পেয়েছে এর নানা বিধ ব্যবহার।
ঐতিহাসিক দের মতে ধারনা করা হয় যে,পারসিয়ান সভ্যতার যুগে ৫০০ থেকে ৯০০ খ্রীস্টাব্দে উইন্ডমিলের ব্যবহার ছিল।
আধুনিক যুগে ড্যানিয়েল হ্যালাডে ১৮৫৪ সালে নতুন ভাবে আবিষ্কার করেন। যিনি ছিলেন একাধারে বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার এবং ব্যবসায়ী।
মুহুরী ধাম উইন্ডমিল প্রজেক্ট হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম যা ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ফেনী তে ০.৯ মেগা ওয়ার্ড ( ২২৫ কিলো ওয়ার্ড) এবং কুতুব্দিয়া বায়ুকলে রয়েছে (২০ কিলো ওয়ার্ড ৫০ টার্বাইন)। অদূর ভবিষ্যতে ডেনমার্কের কম্পানি ১০০ মেগা ওয়ার্ড পাওয়ার প্লান্ট এর জন্য অর্থ বিনিয়োগ করবে যা পটুয়াখালিতে তেরি হবে।
সর্বাধিক ক্ষমতা সম্পন্ন বায়ুকল বর্তমানে চায়নাতে অবস্থিত। ২৮৮.৩২ গিগা ওয়ার্ড ক্ষমতা পৃথিবীর সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।অন্যদিকে ডেনমার্কে বায়ুকলের দেশ বলা হলেও তারা চায়না দেশটিকে পেছনে ফেলতে পারে নি।
সংক্ষিপ্ত পরিসরে কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।কিছু বাকি থেকে থাকলে আশা করি কমেন্ট বক্স এ জানিেয় পাশে থাকবেন।

No comments