Virtual Reality(VR),ভার্চুয়াল রিয়ালিটি

 


কল্পনার বাস্তবরূপ সকলেই চাই। মানুষ স্বভাবতই এমন কিছু কল্পনা করে যা তার দ্বারা বাস্তবে অভিজ্ঞতা করা কিছুটা কষ্টের বা অবাস্তব হয়ে ওঠে। আর তা যদি খুব সহজেই করা যায় তাহলে তো মন্দ হয় না। আজ সেই সম্পর্কে জানব। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এমন একটা জিনিস যার মাধ্যমে কল্পনাকে বাস্তবে পরিণত করা যাই।🔰

.
.
🔰, ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের ধারণা সৃষ্টি করতে সক্ষম এমন কল্পনানির্ভর বিষয় অনুভব করার ত্রিমাত্রিক অবস্থা উপস্থাপন। এটি এক ধরনের কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা যাতে প্রতিমা নির্মাণ ও ছদ্মায়ন পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে বা উপলব্ধি করতে পারে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেটগুলি প্রথম ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে ভিডিও গেম কোম্পানিগুলি প্রকাশ করেছিল।🔰
.
.

✅কর্ম পদ্ধতি:

তথ্য আদান-প্রদানকারী বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যান্ত্রিক উপকরণ সংবলিত চশমা, মস্তকাবরক, হাতমোজা, বিশেষ পোশাক বা সুট, ইত্যাদি পরিধান করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী অপ্রকৃত বাস্তবতাতে বাস্তবকে উপলব্ধি করতে পারে।একটি সাধারণ অপ্রকৃত বাস্তবতাতে একজন ব্যবহারকারী স্টেরিওস্কোপিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্র-প্রক্ষেপণ পর্দা সংবলিত একটি শিরোস্ত্রাণ পরে এবং তার মধ্যে দিয়ে বাস্তব থেকে ছদ্মায়িত প্রাণবন্ত ছবি দেখে।
.
.

✅প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:

ধারণা করা হচ্ছে যে আগামী প্রাত্যহিক জীবনে এটি প্রচণ্ড প্রভাব ফেলবে। ভবিষ্যতে যখন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অনেক বেশি সহজলভ্য হয়ে যাবে তখন তা বিনোদন থেকে শুরু করে যোগাযোগ পর্যন্ত প্রায় সকল ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলবে। বিভিন্ন পেশা ও গবেষণায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রয়োগের ফলে সমাজে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক এবং উভয় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
.
.

✅ইতিবাচক দিক:

🔴সামরিক বাহিনীতে অনেক বছর যাবৎ সামরিক প্রশিক্ষণে উড্ডয়ন ছদ্মায়ক (Flight Simulator ফ্লাইট সিমুলেটর) ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে প্রচলিত উড্ডয়ন ছদ্মায়কগুলির আরও উন্নতি সাধন করা সম্ভব। এছাড়াও অপ্রকৃত বাস্তবতার মাধ্যমে ছদ্মায়িত যুদ্ধ (Simulated War) দ্বারা সৈন্যদের অনেক বেশি বাস্তব ও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব।
.
🔴ব্যবসা বাণিজ্যেও ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ করা সম্ভব।
.
.

✅নেতিবাচক দিক:

🟡অপ্রকৃত বাস্তবতার মাধ্যমে মানুষ তার কল্পনার রাজ্যে ইচ্ছেমত বিচরণ করতে পারে। ফলে দেখা যাবে মানুষের বেশিরভাগ সময় কাটবে তার কল্পনার জগতে এবং খুব কম সময় বাস্তব জগতে। কিন্তু এভাবে মানুষ যদি কল্পনা ও বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য করতে না পারে তাহলে এই পৃথিবী চরম অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হবে।
.
🟡এছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে যে অপ্রকৃত বাস্তবতা মানুষের স্বাস্থের জন্যও হানিকর। এটি মানুষের দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতিসাধন করে।
.
.
🌺🌺🌺 ধন্যবাদ পুরো লেখাটা পড়ার জন্য🌺🌺🌺
.
.
✍️Written By Team "নীলাদ্রি"

No comments

Powered by Blogger.