Essential Software to Know

 


Back to Basics - Ep 01 - Essential Software to Know

🤓
1. HWinfo64 (CPU/GPU & Component Monitoring)
এটা ছাড়াও আরও কিছু সফটওয়্যার আছে যা দিয়ে টেম্প এবং ডিটেইলস দেখা যায় কিন্তু এটার সমকক্ষ কোনটাই নয়। এটা দিয়ে আপনি কম্পোনেন্টের টেম্প, স্ট্যাটাস, ইউসেজ, পাওয়ার কনসামশন ছাড়াও অনেক কিছু মনিটর করতে পারবেন। Hwinfo64 আসলে একটা পোষ্ট ডিজার্ভ করে নিজেই এর সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যখ্যা করতে হলে। এটার ২টা সাইড আছে, সামারি সাইড এবং সেন্সর সাইড। মুলত সেন্সর সাইড টাই বেশী ব্যবহার হয়ে থাকে।
2. CoreTemp (CPU temperature monitoring)
এটা দিয়ে যদি সিম্পল সিপিউ টেম্প স্পেশালি একটু পুরনো সিস্টেম হলে মনিটর করতে সহজ। যদিও এটাতে খুব বিস্তারিত কিছু থাকে না তবে আমি এটার সাথে hwinfo64 মিলিয়ে সেইম রেজাল্ট পেয়েছি ।
3. CPU Z (CPU & system's brief spec)
CPU Z দিয়ে প্রসেসর এর ডিটেইলস , রেম এর প্রাইমারি টাইমিং এছাড়া ও মূল কমপনেন্ট অনেক গুলার ব্যাসিক ডিটেইলস দেখা যায়। ছোটো কিন্তু ভাল একটা সফটওয়্যার।
4. GPU Z (GPU monitoring and information)
অনেক সময় জিপিউ কিনতে গেলে ধোঁকা আগে আসল বা নকল কিনা। এই টূলটার একটা সুনাম আছে যা কিনা ফেইক জিপিউ হলে টা উল্লেখ করে দেয়। এছাড়াও এটা দিয়ে জিপিউ এর পাওয়ার কন্সামপশন (১০০% সঠিক নয়) , ক্লকস্পিড, জিপিউ মেমরি স্পিড, টেম্প ইত্যাদি সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।
5. Thaiphoon Burner (Ram info)
আমরা অনেক সময় সিঙ্গেল স্টিক রেম কিনে পরে আরেকটা স্টিক কিনতে গেলে চিন্তায় পরে যাই কম্পেটাবিলিটি নিয়ে। আবার দেখা যায় একটু এক্সপার্ট ইউজার হলে রেম অভারক্লকের জন্যে রেম এর চিপ ইনফো টা দরকার পরে থাকে। এটা দিয়া রেম এর চিপ ডিটেইল খুব সুন্দরভাবে জানা যায়।
6. Harddisk Sentinel (SSD & HDD health monitoring software)
এটা দিয়ে খুব সহজেই হার্ড ড্রাইভ এবং এসএসডি এর হেলথ এবং পারফর্মেন্স চেক করা যায়। এছাড়াও কোন সমস্যা বা টেম্পজনিত ঝুঁকি থাকলে তা সহজেই বুঝা যায়।
7. MSI afterburner (FPS overlay and GPU overclocking/custom Fan curve tool)
এর সম্পর্কে না বললে একদম নয়। এক কথায় ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড টুল এটা। এনভিডিয়া এবং এএমডি দুটোই সাপোর্ট করে থাকে। এটা দিয়ে জিপিউ অভারক্লক, আন্ডারভোল্ট, কাস্টম ফ্যান প্রফাইল সেট করা, গেমিং এর সময় এফপিএস শো করার মত অনেক ইম্পরট্যান্ট কাজগুলা করা যায়। বলাবাহুল্য এর RiverTuner (মাস্ট) & MSI Kombustor এই ২টা টূল ইউজ করা হয়। রিভারটুনার ছাড়া গেইমে ওভারলে শো করা সম্ভব নয় তাই ওটা সাথে ইন্সটল করতে হবেই। আর কম্বাস্টার হল জিপিউ স্ট্রেস করার টুল তাই এটা ইন্সটল করা থাকলে আফটারবার্নার এর সাথে স্ট্রেস ও করা যায়।
8. CrystaldiskMark & CrystalDiskInfo (SSD & HDD benchmarking tool )
ক্রিস্টালডিস্কমার্ক দিয়ে এসএসডী এবং হার্ড ড্রাইভ এর স্পিড বেঞ্চমার্ক করা হয়ে থাকে। এটা সবচেয়ে পপুলার বলা চলে। এছাড়া ডিস্কইনফো দিয়ে হেলথ এবং ইউসেজ সম্পরকে জানা যায়।
9. AS SSD & ATTO DISK Benchmark (Drive benchmarking tool)
ক্রিস্টালডিস্কমার্ক এর মতন এই দুটো দিয়ে ও স্টোরেজের স্পিড বেঞ্ছমার্ক করা যায়। ২টাই ভাল টুল এবং টেস্টিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়ে থাকে।
10. AIDA64 & Prime95 (stress testing tools)
Prime95 অনেকটা ব্রুটাল একটা স্ট্রেস করার টুল। অনেক ক্ষেত্রেই রিয়াল লাইফ ইউসেজ এর সাথে না মিল্লেও এটা পপুলার টুলগুলার মধ্যে একটা অন্যতম। AIDA64 মেমরির রিড রাইট বেঞ্ছমার্ক এবং স্ট্রেসের জন্যে বেশী পপুলার হলেও এটা দিয়েও সিপিউ বা সিস্টেম স্ট্রেস টেস্ট করা যায়। এছাড়াও সেকেন্ডারি ডিস্প্লেতে ইনফো শো করার জন্যেও এটা ব্যাবহার করে থাকে।
11. OCCT (System stress testing software)
স্ট্রেস টেস্টিং এর জন্যে অনেক সফটওয়্যার থাকলেও এটার ইনটারফেজ আমার অনেক ভাল লাগে। এটা দিয়েও কম্পোনেন্ট গুলা সুন্দরভাবে স্ট্রেস টেস্ট করা যায়। এছাড়াও Linpack, Intel Burn Test, Realbench etc. ও অনেকে ইউজ করে থাকে।
12. Intel XTU & AMD Ryzen Master (CPU OC/OV tools)
AMD Ryzen Master অনেকের কাছে পরিচিত হলেও Intel XTU টা অনেকের জানা নেই বললেই চলে। যারা সফটওয়ার দিয়ে সিপিউ টুইক করতে সাচ্ছনদ্য বোধ করে থাকে তাদের জন্যে এই টুল গুলা। এছাড়া ১১তম জেন ইন্টেল
লকড সিপিউ গুলার পাইয়ার লিমিট ও XTU দিয়ে টুইক করা যায়। আর রাইজেন মাস্টার দিয়ে এএমডির সিপিউ এর ক্ষেত্রে ইউজ করা হয়। তবে আমি পার্সনালি সিপিউ টুইক করার জন্যে সফটওয়্যার থেকে বায়স ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকি এবং পছন্দ করি। হয়তো একটু ভয় লাগে প্রথমে কিন্তু একটু সতর্কতা ফলো করে শিখে গেলে বায়সের থেকে টুউকের উপর আর কিছু নেই বললেই চলে।
13. Speedfan
যারা বায়স থেকে সিস্টেম ফ্যান প্রফাইল সেট করতে চান না, তারা এটা ব্যবহার করতে পারেন। তবে আমি বায়স কেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি।
14. Cinebench R15, R20, R23 (CPU benchmarking tool)
অনেক জনপ্রিয় একটি বেঞ্চমার্কিং টুল যা দিয়ে টাইল বেইজড রেন্ডারিং ইউজ করে সিপিউ এর সিঙ্গেল কোর এবং মাল্টি কোর পাওয়ার টেস্ট করা হয়। আমাদের মেক্সিমাম কাজ সিঙ্গেল কোরের হয়ে থাকে তাই হায়ার সিঙ্গেল কোর মানে রেস্পন্সিভ এবং ফাস্ট পিসির এক্সপিরিয়েন্স পাওয়ার নিশয়তা বেশী। অপরদিকে হাইয়ার মাল্টিকোর মানে হেভি কাজগুলা তে বেশী পারফর্মেন্স পাওয়ার সুবিধা। r15 পুরনো তাই এখন R20 & Latest R23 তাই সবচেয়ে বেশী ব্যবহার হয়ে থাকে।
15. Dram Calculator for Ryzen, Zentiming, Asrock Timing Configurator (RAM OC and timing tools)
রাইজেনের জন্যে ডীরেম ক্যালকুলেটর সফটওয়্যার তা অনেক পরিচিত। যারা মেমরি অভারক্লকিং করতে চায় তাদের জন্যে অনেক উপরকারি। এছাড়া রাইজেনের জন্য জেনটাইমিং এবং ইন্টেলের জন্যে এসরক টাইমিং টুল দিয়ে টোটাল মেমরি টাইমিং জানা যায়।
16. Memtest86, Memtest64,HCI memtest, Karhu
এইগুলা সব মেমরি এরর এবং স্ট্যাবিলিটি টেস্ট করার টুলস। এর মধ্যে কিছুর প্রিমিয়াম ভার্শন আছে এক্সট্রা সুবিধা সহ। কারহু টা সম্পুর্ন পেইড টুল।
17. 3D Mark Suite, Furmark, Unigine Superposition (GPU stress and benchmarking tools)
বিভিন্ন গেমের বিল্ট ইন বেন্সমার্ক টুল ছাড়া ও সিন্থেটিক বেঞ্ছমার্কের জন্যে 3D Mark এর Timespy & Firestrike ব্যবহার করা যায়। ফারমার্ক (Furmark) হল জিপিউ এর প্রতি টর্চার টেস্ট করার মতন ই, অনেক ক্ষেত্রেই আনরিয়ালিস্টিক। এছারাও Unigine Heaven (old), Unigine Valley & Latest Ungine Superposition অসংখ্য টুলগুলার মধ্যে অন্যতম।
18. DDU (Display Driver Uninstaller)
এটা খুব গুরুত্তপুর্ন একটি টুল যা দিয়ে জিপিউ ড্রাইভার খুব সুন্দরভাবে ক্লিন করে আনইন্সটল করা যায় যাতে করে বাগ বা স্ট্যাবিলিটি সঙ্ক্রান্ত কোন সমস্যা না হয়। জিপিউ ড্রাইভার সবসময় ক্লীন ইন্সটল করাই উচিৎ।
19. OBS Studio (Free screen record and live streaming software)
যারা পিসিতে স্ট্রিমিং করতে চান তাদের জন্যে OBS এর বিকল্প নেই বললেই চলে। এটা দিয়ে স্ক্রিন রেকর্ডিং ও করা সম্ভব। এর আরেকটি ভার্শন আছে Streamlab OBS যেটা একটু মডিফাইড। অনেকে সেটাও ইউজ করতে পারেন।
20. Custom Resolution Utility (CRU) & DisplayCAL (Monitor OC and Color measure/calibration tool)
সিআরইউ হল মনিটর অভারক্লক করার টুল, যদিও মনিটর অভারক্লক করাটা খুব একটা রেকমেন্ডেট নয় তা ও জানার সুবিধার্তে এটা উল্লেখ করা। DisplayCAL হল মনিটর ক্যালিব্রেশন করার টুল তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ক্যালিব্রেশন হার্ডওয়ার যেমন স্পাইডার৫ অথবা এক্সরাইট থাকতে হবে।
হাজার সফটওয়্যার আছে এগুলা ছাড়াও প্রতিটা ক্যাটাগরিতেই, কিন্তু এগুলা আমার লিস্টে উল্লখযোগ্য। ব্যবহারের গাইডের জন্যে গুগল অথবা ইউটিউব এর পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ থাকবে। অনেক সময় নিয়ে করা তাই গ্রুপের বাইরে পোষ্ট কপি এবং শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইলো। অবশ্যই ফিডব্যাক এবং ভাল রেসপন্স পেলে এই সিরিজ চলমান থাকবে। কমেন্ট করে ভাল মন্দ মতামত দিয়ে জানিয়ে দিন। 😊
© Fardin Khan

No comments

Powered by Blogger.