দারাজ
দারাজ
বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন ফ্লাটফ্রমের মধ্যে দারাজ হলো অন্যতম । আজকে আমরা দারাজ সম্পর্কে জানবো।
দারাজ দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি লজিস্টিকস (মালামালের সরবরাহ করে এমন) কোম্পানি এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেস। ২০১২ সালে পাকিস্তানে দারাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। রকেট ইন্টারনেটের উদ্যোগে মুনীব ময়ূর (প্রতিষ্ঠাতা) এবং ফারেস শাহ্ (সহ-প্রতিষ্ঠাতা) দারাজকে অনলাইন ই-কমার্স ফ্যাশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। বাংলাদেশ, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং নেপালে তাদের পরিষেবা প্রদান করে। বুজার্কি মিক্কিলেসেন দারাজের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। রকেট ইন্টারনেট ২০১৮ সালে চীনের আলিবাবা গ্রুপের কাছে ই-কমার্স কোম্পানি দারাজ গ্রুপকে বিক্রি করে দেয়।
৯ মে, ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক দারাজ গ্রুপকে চীনা বহুজাতিক কোম্পানি ও ই-বাণিজ্য জায়ান্ট আলিবাবা গ্রুপ কিনে নেয়। আলিবাবা গ্রুপ নিয়ন্ত্রণাধীন দারাজ বর্তমানে বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, হংকং সহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দারাজ, শপ ও লাজাডা নামে ই-বাণিজ্য সেবা দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশে দারাজ
দারাজ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে তার যাত্রা শুরু করে ২০১৫ সালের দিক তার সাথে সাথে মিয়ানমার দেশটিতে ও তাদের কার্যক্রম শুরু করে যা পরবর্তিতে এক ব্যবসায়িক মডেলে পরিনত হয়।
বাংলাদেশের মানুষের সাথে আস্থার ভিত্তি গড়তে এবং ব্যবসায়িক ভাবে স্থায়ী হতে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে দারাজের শুভেচ্ছা দূত হিসাবে পাশে পান। তারা গ্রাহকদের জন্য মোবাইল এপ্লিকেশন চালু করেন এবং ২০১৭ সালের দিক ই- প্রতিষ্ঠান " কেমুই " দারাজের সাথে যুক্ত হয়।
ইভ্যালি এবং দারাজ
দারাজ বর্তমানে আলিবাবা প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত যা ২০১৫ সাল থেকে আমাদের দেশে ব্যবসা করে আসছে অন্যদিকে ইভ্যালি আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠান যা ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে নিজেদের যাত্রা শুরু করে। নিজেদের মার্কেট বা ব্যবসা পদ্ধিতির কারনে অনেক অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে উঠে ঠিক তেমনি নিজস্ব সার্ভিস কোয়ালিটির ত্রুটির কারনে অনেক প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকতাদের। দারাজ তাদের ব্যবসা পদ্ধতি এবং কার্যক্রম নিয়ে এক প্রকার স্থিতিশীল অবস্থাতেই আছে বলা যায় অন্যদিকে ইভ্যালির অবস্থা কোন দিক অগ্রসর হবে তা বোঝা যাবে বর্তমান পদক্ষেপের উপর।

No comments